যদি এমন হয় যে ঘরের মধ্যে একটি ব্যান্ড সঙ্গিত চলে এবং বাইরের লোকজন এটা
শোনবে না তবে বাইরের লোকে যা বলবে তা সেই ঘরের লোক জন শোনতে পারবে তাহলে
কেমন হয়? শব্দের একমুখি প্রবাহের এরকম ধারণা নিয়েই কাজ করে যাচ্ছেন ইটালীর
দুইজন বিজ্ঞানী। তারা প্রমান করতে সক্ষম হন যে শব্দকে ইচ্ছানুযায়ী পরিচালনা করা যায়।
www.drike.webs.com
http://www.drike.webs.com
Wednesday, 13 March 2013
প্যারাশুট আবিস্কারের ইতিহাস, এর গঠন এবং কার্যপ্রনালী
প্যারাশুট এক ধরনের বস্তু যা পড়ন্ত বা ছুটন্ত অপর কোন ব্যক্তি বা বস্তুর
গতি কমাতে সাহায্য করে। এটি সাধারনত উচ্চতা থেকে নিরাপদে ভূমিতে অবতরনের
জন্য ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও ভূমির সমতলে দ্রুতগতি সম্পন্ন কোন যানবাহনের গতি
কমানোর ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়। প্যারাশুট শব্দটি
একটি ফরাসি শব্দ থেকে থেকে এসেছে যার মধ্যে ‘প্যারা’ একটি ল্যাটিন উপসর্গ
যার অর্থ ‘বিপরীতে’ বা ‘বিরুদ্ধে’। আর ‘শুট’ শব্দাংশটি একটি ফরাসি শব্দ যার
অর্থ ‘পড়া’। পুরো অর্থ দাড়াচ্ছে ‘পড়ার বিরুদ্ধে’। উঁচু থেকে কোন কিছুর
দ্রুত পতন রোধ করাই মূলত এর কাজ।
পিস্তলের সাইলেন্সার যেভাবে কাজ করে
Tuesday, 12 March 2013
ইন্টিগ্রেশন সহজ করার উপায়
ক্যালকুলাস কি?
ক্যালকুলাস আসলে অ্যাডভান্সড বীজগণিত এবং জ্যামিতির এক অসাধারণ সমন্বয়। গণিতের পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় এটা কোন নতুন বিষয় বা সাবজেক্ট নয়। ক্যালকুলাসে সাধারণ বীজগণিতীয় এবং জ্যামিতিক সূত্রাবলি ব্যবহৃত হয় কিন্তু ক্যালকুলাসের সমস্যাগুলি অবশ্যই বীজগণিত এবং জ্যামিতির চেয়ে আলাদা ও একটু জটিল। যেখানে বীজগণিত, জ্যামিতি এবং ত্রিকোণমিতির শেষ সেখান থেকেই ক্যালকুলাসের শুরু।Sunday, 10 March 2013
ফোল্ডার বা ড্রাইভকে লক করুন কোন সফট ছাড়াই
কাজের কথায় আসি।প্রথমে আমাদের সব ড্রাইভকে এন টি এফ এস করতে হবে। সাধারনত
অনেকের ড্রাইভ ফ্যাট ৩২ তে থাকে ।আপনারা জানেন যে ফ্যাট ৩২’র থেকে এন টি এফ
এস এ ডাটা বেশি সুরক্ষিত থাকে। যারা ফ্যাট ৩২ ব্যবহার করেন তারা হিডেন
ফাইল সো করে তারপর
(1)Hide extensions ও(2)Hide protected থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Apply এবং ok করুন ।
এবার সিষ্টেম ইনফরমেশনে প্রবেশ করুন ।দেখবেন সহজেই ঢুকতে পারছেন। কিন্তু যদি আপনি এন টি এফ এস ব্যবহার করতেন তাহলে ঢুকতে পারতেন না ।অনেক ভাইরাস সিষ্টেম ইনফরমেশনকেই নিরাপদ স্থান মনে করে । আপনি এই কাজটি পার্টিসন ম্যাজিক সফটওয়ার দিয়ে করতে পারেন ।অথবা নিচের পদ্ধতিটি দেখতে পারেন ।
ধরি আপনার পেন ড্রাইভ k,তাহলে প্রথমে একটি নোট প্যাড ওপেন করি এবং তাতে convert k: /FS:NTFS লিখে k.bat নামে সেভ করি।মনে রাখবেন save as type হবে all files।দেখবেন পেন ড্রাইভের কোন ডাটা মুছেনি শুধু ফ্যাট ৩২ থেকে এন টি এফ এস হয়ে গেছে।এভাবে আপনার অন্যান্য ড্রাইভ গুলোকে পরিবর্তন করে নিন।
convert c: /FS:NTFS লিখে c.bat নামে সেভ করি।মনে রাখবেন save as type হবে all files।
convert d: /FS:NTFS লিখে d.bat নামে সেভ করি।মনে রাখবেন save as type হবে all files।
convert e: /FS:NTFS লিখে e.bat নামে সেভ করি।মনে রাখবেন save as type হবে all files।
আমাদের কাজ প্রায় শেষের দিকে।এবার NTFS কৃত ড্রাইভের উপর রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজ এ যান দেখবেন সিকিউরিটি বলে কোন ট্যাব নাই।
সিকিউরিটি ট্যাব আনতে আমাদের যা করতে হবে।folder options থেকে view tabএ যান এবংuse simple file sharing থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Apply এবং ok করুন । এবার NTFS কৃত ড্রাইভের উপর রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজ এ যান দেখবেন সিকিউরিটি ট্যাব আছে। এবার যে ড্রাইব বা ফোল্ডার লক করবেন তার প্রোপার্টিজ এ যান এবং সিকিউরিটি ট্যাবে ক্লিক করুন দেখবেন Allow এবং Deny লেখা দেখতে পাবেন। এবার Allow থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Deny তে টিক চিহ্ন দিন ব্যাস কাজ শেষ। এবার দেখুন সেই ড্রাইব বা ফোল্ডারটি লক হয়ে গেছে। যাতে অন্যরা সিকিউরিটি ট্যাব না পায় সে জন্য folder options থেকে view tab এ যান এবং use simple file sharing এ টিক চিহ্ন দিয়ে Apply এবং ok করুন।কোন ফোল্ডার কে যখন লক করতে চাইবেন আপনারা দেখবেন Allow এর সব বক্সে টিক চিহ্ন আছে শুধু special permissions বক্সে টিক চিহ্ন নাই । মোট কথা যা আছে তাই থাক ।তবে আমি বলবো লক করার জন্য শুধু মাত্র Deny এর Read বক্সে টিক চিহ্ন দিন ।এবার Apply তে ক্লিক করুন yes করুন তারপর ok করুন। ফোল্ডারটি লক হয়ে যাবে । আবার যখন আনলক করবেন তখন Deny এর Read বক্স থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিন ।এবার Apply তে ক্লিক করুন yes করুন তারপর ok করুন। আর ড্রাইভ লক করার জন্য Allow থেকে সব টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Deny তে সব টিক চিহ্ন দিন Apply তে ক্লিক করুন yes করুন তারপর ok করুন ব্যাস কাজ শেষ।আর আনলক করার সময় Deny থেকে সব টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Allow তে সব টিক চিহ্ন দিন Apply তে ক্লিক করুন yes করুন তারপর ok করুন।
বি:দ্র: Group or user names: যা আছে তাই থাক না বুঝে কিছু করবেন না ।
SVN
(1)Hide extensions ও(2)Hide protected থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Apply এবং ok করুন ।
এবার সিষ্টেম ইনফরমেশনে প্রবেশ করুন ।দেখবেন সহজেই ঢুকতে পারছেন। কিন্তু যদি আপনি এন টি এফ এস ব্যবহার করতেন তাহলে ঢুকতে পারতেন না ।অনেক ভাইরাস সিষ্টেম ইনফরমেশনকেই নিরাপদ স্থান মনে করে । আপনি এই কাজটি পার্টিসন ম্যাজিক সফটওয়ার দিয়ে করতে পারেন ।অথবা নিচের পদ্ধতিটি দেখতে পারেন ।
ধরি আপনার পেন ড্রাইভ k,তাহলে প্রথমে একটি নোট প্যাড ওপেন করি এবং তাতে convert k: /FS:NTFS লিখে k.bat নামে সেভ করি।মনে রাখবেন save as type হবে all files।দেখবেন পেন ড্রাইভের কোন ডাটা মুছেনি শুধু ফ্যাট ৩২ থেকে এন টি এফ এস হয়ে গেছে।এভাবে আপনার অন্যান্য ড্রাইভ গুলোকে পরিবর্তন করে নিন।
convert c: /FS:NTFS লিখে c.bat নামে সেভ করি।মনে রাখবেন save as type হবে all files।
convert d: /FS:NTFS লিখে d.bat নামে সেভ করি।মনে রাখবেন save as type হবে all files।
convert e: /FS:NTFS লিখে e.bat নামে সেভ করি।মনে রাখবেন save as type হবে all files।
আমাদের কাজ প্রায় শেষের দিকে।এবার NTFS কৃত ড্রাইভের উপর রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজ এ যান দেখবেন সিকিউরিটি বলে কোন ট্যাব নাই।
সিকিউরিটি ট্যাব আনতে আমাদের যা করতে হবে।folder options থেকে view tabএ যান এবংuse simple file sharing থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Apply এবং ok করুন । এবার NTFS কৃত ড্রাইভের উপর রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজ এ যান দেখবেন সিকিউরিটি ট্যাব আছে। এবার যে ড্রাইব বা ফোল্ডার লক করবেন তার প্রোপার্টিজ এ যান এবং সিকিউরিটি ট্যাবে ক্লিক করুন দেখবেন Allow এবং Deny লেখা দেখতে পাবেন। এবার Allow থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Deny তে টিক চিহ্ন দিন ব্যাস কাজ শেষ। এবার দেখুন সেই ড্রাইব বা ফোল্ডারটি লক হয়ে গেছে। যাতে অন্যরা সিকিউরিটি ট্যাব না পায় সে জন্য folder options থেকে view tab এ যান এবং use simple file sharing এ টিক চিহ্ন দিয়ে Apply এবং ok করুন।কোন ফোল্ডার কে যখন লক করতে চাইবেন আপনারা দেখবেন Allow এর সব বক্সে টিক চিহ্ন আছে শুধু special permissions বক্সে টিক চিহ্ন নাই । মোট কথা যা আছে তাই থাক ।তবে আমি বলবো লক করার জন্য শুধু মাত্র Deny এর Read বক্সে টিক চিহ্ন দিন ।এবার Apply তে ক্লিক করুন yes করুন তারপর ok করুন। ফোল্ডারটি লক হয়ে যাবে । আবার যখন আনলক করবেন তখন Deny এর Read বক্স থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিন ।এবার Apply তে ক্লিক করুন yes করুন তারপর ok করুন। আর ড্রাইভ লক করার জন্য Allow থেকে সব টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Deny তে সব টিক চিহ্ন দিন Apply তে ক্লিক করুন yes করুন তারপর ok করুন ব্যাস কাজ শেষ।আর আনলক করার সময় Deny থেকে সব টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Allow তে সব টিক চিহ্ন দিন Apply তে ক্লিক করুন yes করুন তারপর ok করুন।
বি:দ্র: Group or user names: যা আছে তাই থাক না বুঝে কিছু করবেন না ।
SVN
সোলার গাড়ি নিয়ে কিছু কথা
লিখেছেন SVN »
সোলার গাড়ি নিয়ে কিছু কথা "সোলার গাড়ি" কথাটি
তোমরা অনেকেই হয়তোবা শুনে থাকবে৷ কিংবা ছোটখাট খেলনার গাড়িতে তোমরা
হয়তোবা সেই ধরনের কিছু মডেল দেখে থাকবে৷ কিন্তু সোলার সেল আসলেই কি? তা
নিয়ে চল একটু জানা যাক৷ সৌরশক্তির গাড়ি নিয়ে কথা বলবার আগে একটু সৌর
শক্তি নিয়ে কথা না বললেই নয়৷ সৌর কোষ সূর্যের আলো থেকে শক্তি নিয়ে তা
বিদ্যুত শক্তিতে পরিণত করে৷ অনেক সময় তোমরা ক্যালকুলেটরে দেখতে পাবে তাতে
সৌরকোষ লাগান থাকে৷ এইরকম সৌরকোষের ক্যালকুলেটর কিংবা ঘড়িতে কোন ব্যাটারির
প্রয়োজন হয়না৷ কেননা ক্যালকুলেটর চালাতে যে শক্তির প্রয়োজন হয় তা
সৌরকোষ আলো থেকে সংগ্রহ করে৷ মনে করা যাক, সেইরকম সৌরকোষ অনেকগুলি একত্রে
সংযোগ করলে তা থেকে অনেক বিদ্যুত পাওয়া যেতে পারে যা দিয়ে গাড়ি চালান
সম্ভব হতে পারে৷ এইরকম ব্যাপারটি সম্ভব করে সোলার গাড়িতে৷ কিন্তু বাস্তবে
ব্যপারটি কঠিন৷ আসলে প্রধান সমস্যা হল সৌরকোষ আলো থেকে শক্তি সংগ্রহ করে
বলে মেঘলা দিনে কিংবা সন্ধ্যা বেলাতে যখন আলো কম তখন গাড়ি চালান সম্ভব হবে
না৷ মনে করা যাক, আমরা একটা সেরকম একটা সোলার গাড়ি নিয়ে বাহিরে কোথাও
ঘুরতে গেলাম৷ হটাত্ করে আবহাওয়া বদলে গেল, এমন তো হরেক সময়ই হয়ে থাকে৷
দেখা গেল, আকাশ মেঘে ঢেকে গেল৷ তাহলে কি হবে, আমারা যে গাড়ি চালাচ্ছিলাম
তা আর চলবেনা৷ পথেই থেমে যাবে৷ তাহলে বুঝ অবস্থা৷ এটা সোলার গাড়ির একটা
প্রধান সমস্যা৷ এই সমস্যা সমাধানের জন্য সাধারণত একটা পদ্ধতি গ্রহণ করা
হয়ে থাকে৷ সাধারণ সোলার গাড়িতে ব্যাটারি সংযোগ করে তাতে বিদু্যত শক্তি
জমিয়ে রাখা হয়৷
Subscribe to:
Posts (Atom)